এমএম নুরুজ্জামান ও জাফ ল’ নিয়ে অভিযোগ না অপপ্রচার?

বাফেলো প্রতিনিধি

০৫ এপ্রিল ২০২৬

এমএম নুরুজ্জামান ও জাফ ল’ নিয়ে অভিযোগ না অপপ্রচার?

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন এম এম নুরুজ্জামান। ছবি-জাগো প্রহরী।

গত ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে একটি ফেসবুক পেজে অ্যাডভোকেট এম এম নুরুজ্জামানকে ঘিরে একাধিক গুরুতর অভিযোগ প্রচার করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানের প্রাথমিক পর্বেই এসব অভিযোগের যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হলে এর পেছনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের ইঙ্গিতও মেলে। সরেজমিনে অনুসন্ধানে দেখা যায়, এম এম নুরুজ্জামান বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী। বাংলাদেশে আইনপেশার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে তিনি তার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান জাফ ল’ এন্ড ইমিগ্রেশন-এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা দিয়ে আসছেন। প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম ঢাকা ও নিউইয়র্কসহ একাধিক স্থানে বিস্তৃত।

কথিত ফেসবুক পেজে আনীত অভিযোগগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল এম এম নুরুজ্জামান নিজেকে যুক্তরাষ্ট্রের লাইসেন্সধারী ইমিগ্রেশন অ্যাটর্নি হিসেবে পরিচয় দেন। তবে এ বিষয়ে সরেজমিনে অনুসন্ধান করে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। জাফ ল’ অ্যান্ড ইমিগ্রেশনের কোনো ডকুমেন্টে, সাইন বোর্ড, বিজনেস কার্ড, লিফলেট, অফিস প্যাড, ওয়েবসাইটের কোথাও তার নামের পূর্বে ‘অ্যাটর্নি’ লেখা দেখা যায়নি। জাফ ল’ অ্যান্ড ইমিগ্রেশনের সেবা গ্রহণ করেছেন-এমন ১০ থেকে ১২ জন ক্লায়েন্টের সঙ্গেও সরাসরি কথা হয়েছে। এছাড়াও বাফেলোর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বেশ কয়েকজনের সাথে কথা হয়েছে। তাদের কেউই এমন কোনো অভিযোগ করেননি যে, নুরুজ্জামান নিজেকে আমেরিকার অ্যাটর্নি হিসেবে দাবি করেছেন। বরং তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি নিজেকে ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত এডভোকেসি কাজে এসিস্ট করেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আমেরিকান অ্যাটর্নির সাথে অ্যাফিলিয়েশন করিয়ে দেন।

অনুসন্ধাননে জানা গেছে, নুরুজ্জামানের বিরুদ্ধে এই অপপ্রচারের সূত্রপাত হয় বাংলাদেশের গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সময়কালে। গত ৩১ ডিসেম্বর তিনি আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে যান এবং সেখানে অবস্থানকালে বিভিন্ন রাজনৈতিক কার্যক্রমে অনলাইন ও অফলাইনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। এই রাজনৈতিক সম্পৃক্ততাকে কেন্দ্র করেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে সংগঠিতভাবে অপপ্রচার শুরু করে। আরও জনা যায়, অপপ্রচারকারী মহলের কিছু ব্যক্তি নুরুজ্জামানের কাছে অন্যায় সুবিধা দাবি করেছিলেন। তিনি তাতে সম্মত না হওয়ায় পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা আরও জোরদার করা হয়। এছাড়া তার অনুপস্থিতির সময় বাফেলোতে অবস্থিত তার অফিসের সামনে কিছু অপরিচিত ব্যক্তিকে জড়ো করে মানববন্ধনের নামে একটি সমাবেশ তৈরির চেষ্টার অভিযোগও উঠে এসেছে। এ প্রসঙ্গে একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ওই ব্যক্তিদেও কেউই প্রতিষ্ঠানের ক্লায়েন্ট নন; বরং তাদের উপস্থিতি ছিল পূর্বপরিকল্পিত। তার বিররুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো নিয়ে নথিপত্র যাচাই ও অনুসন্ধান করার পর জানা গেল, অধিকাংশ অভিযোগই ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

উদাহরণস্বরূপ, নুসরাত জাহান নামের একজন নারী অভিযোগ করেছিলেন যে, জাফ ল’ এন্ড ইমিগ্রেশন তার কাছে ফ্রি ইমিগ্রেশন সার্ভিস দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছে। তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, পরিস্থিতি পুরোপুরি ভিন্ন। নুসরাত জাহানের স্বামী আবু ইউসুফ দুর্ভাগ্যজনকভাবে ২০২৪ সালে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন। পরবর্তীতে নুসরাত জাহান তার বড় বোন ও ভগ্নিপতিকে যুক্তরাষ্ট্রে আনার জন্য জাফ ল’-এর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। মানবিক কারণে তার কাছ থেকে কোনো সার্ভিস ফি নেওয়া হয়নি। তার বোনের ইমিগ্রেশন প্রসেসিংও জটিল ছিল, কারণ কিছুদিন আগে তাদের ভিজিট ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। তবু জাফ ল’ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন দক্ষতার সঙ্গে এক মাসের মধ্যেই সকল নথিপত্র প্রস্তুত করে, তাদের ভিসা ইন্টারভিউর তারিখ নিশ্চিত করে দেন। আরো জাননা গেছে, নুসরাত জাহান শুধু ইউএস অ্যাম্বাসি ফি প্রদান করেছেন; তবে সার্ভিস চার্জ নেওয়া হয়নি। বরং বিভিন্ন সময়ে জাফ ল’-এর একাধিক কর্র্মী নুসরাত জাহানের বাফেলোস্থ বাসায় গিয়ে নোটারি করা ও অন্যান্য এফিডেভিট ও নথিপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। এখানেও আশ্চর্যজনক দিক হলো নুসরাত জাহানই ফেসবুকে মিথ্যা অভিযোগ ছড়িয়েছেন যে জাফ ল’ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন তার কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। এই বিষয়ে এম এম নুরুজ্জামানের সঙ্গে কথা হলে তিনি এ সংবাদদাতাকে জানান, ‘যদি কেউ প্রমাণ দেখাতে পাওে যে আমি নুসরাত জাহানের ফাইল থেকে একটি পয়সা নিয়েছি, তাহলে আমি আর কখনও আইনজীবী হিসেবে পরিচয় দেব না এবং আমার সমস্ত অফিস বন্ধ করে দেব।” আমরা আরও কিছু অভিযোগের নথি যাচাই করেছি এবং লক্ষ্য করেছি, অনেক অভিযোগই বাস্তবতার সঙ্গে মিলছে না বা প্রাসঙ্গিক তথ্য উপেক্ষা করে অপপ্রচারের স্বরূপ ধারণ করছে।

উদাহরণস্বরূপ, মো. আব্দুল বাতেন নামের একজন অভিযোগ করেছিলেন যে তার কাছ থেকে ৫৯ হাজার ডলার হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। আমরা সরাসরি জাফ ল’ অ্যান্ড ইমিগ্রেশনের অফিসে গিয়ে তার ফাইল ঘেঁটে সব হিসাব বের করেছি। দেখা গেছে, আব্দুল বাতেন ভিজিট ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এসে ই-২ (ইনভেস্টমেন্ট ভিসা) স্ট্যাটাস পরিবর্তনের জন্য জাফ ল’-এর সঙ্গে বাংলাদেশেই চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। তাঁর জন্য দুই দফায় ই-টু ভিসা প্রসেস করতে হয়েছে। প্রথমবার সেলুলার ওয়ার্ল্ড, দ্বিতীয়বার নাফিস এন্টারপ্রাইজ নামে।
তাঁর ব্যবসায়িক ক্রয়-বিক্রয়েও এই খরচের অংশ রয়েছে। ৩৩ হাজার ডলারে তিনি একটি দোকান কিনেছেন, প্রতি মাসে ৭০০ ডলার করে নয় মাসের ভাড়া দিয়েছেন (মোট ৬৩০০ ডলার)। এছাড়া প্রিমিয়াম ফি হিসেবে ১৯০০ ডলার দিয়েছেন। তিনি একবার ভিসা এক্সটেনশনের জন্য আবেদন করেছেন এবং আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর সরকারি ফি ১০০০ ডলার দিয়ে আপিলও করেছেন। সবশেষে, আশ্রয় আবেদনও করতে হয়েছে। এই সমস্ত খরচই আব্দুল বাতেনের দাবি করা ৫৯ হাজার ডলারের অন্তর্ভুক্ত। আরো নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, উনি ব্যবসা বিক্রি করে কিছু টাকা ফেরতও পেয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে এম এম নুরুজ্জামান জানিয়েছেন, ‘অনেক ক্লায়েন্ট আছেন যারা তাদের কাঙ্খিত ফলাফল না পেলে তা গ্রহণ করতে পারেন না। এমন পরিস্থিতিতে তারা যেকোনোভাবেই প্রতিষ্ঠানকে হেয় করতে চাইতে পারেন। আব্দুল বাতেনের ব্যাপারে আমার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও প্রচেষ্টা ছিল। আমি তাকে কিছু সাহায্য করারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি নিজেই অপপ্রচার শুরু করেছেন।”

একইভাবে খাদিম নামের একজন আফ্রিকান নাগরিকও টাকা হাতানোর অভিযোগ তুলেছিলেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখার সময় জানা যায়, খাদিম তার ফাইল সুপারভাইজ, মাস্টার হিয়ারিং এবং অ্যাটর্নি এপয়েন্টমেন্টের জন্য অনিয়মিতভাবে ২০০/১০০ ডলার করে কিছু অর্থ জমা দিয়েছেন। কিন্তু ২ বছর পর হঠাৎ করে এসে পুরো টাকা ফেরত চান। তবে জাফ ল’ অ্যান্ড ইমিগ্রেশনের সঙ্গে এফিলিয়েটেড (যেমন হিলারিসহ) কয়েকজন অ্যাটর্নির কন্ট্রাক্ট পেপার ঘেঁটে দেখা যায়, ইনিশিয়াল ফি হিসেবে অ্যাটর্নিকে সর্বনিম্ন আড়াই হাজার ডলার দিতে হতো। জাফ ল’ এন্ড ইমিগ্রেশনের সিইও জানিয়েছেন, “অনেক ক্লায়েন্ট আছেন যারা একসঙ্গে পুরো ফি দিতে পারেন না। তাই তাদের কাছ থেকে অ্যাটর্নির অনুমতি সাপেক্ষেক্ষ ইনস্টলমেন্ট পদ্ধতিতে টাকা নিয়ে থাকি। যখন প্রয়োজন হয়, তখন এফিলিয়েটেড অ্যাটর্নির ফি মিটিয়ে দেই। কিন্তু খাদিম তার মামলাটি প্রতি মাসে সুপারভাইস করাসহ বিভিন্ন ট্রান্সলেশন ও ক্লারিক্যাল কাজের জন্য ওই অর্থ প্রদান করেছিলেন।”

জাফ ল’ অ্যান্ড ইমিগ্রেশনের আরও কিছু ক্লায়েন্টের সঙ্গে কথা বলার সময় শোয়েব নামের একজন জানান, তিনি ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে এসাইলাম কেস জিতে গেছেন, কিন্তু এখনো পুরো ফি পরিশোধ করেননি; তিনি মাসিক কিস্তিতে পরিশোধ করছেন। মহিমা মেহেরিমা নামের একজন জানান, তার সিটিজেনশিপ প্রসেসিং ফি বাকি আছে, যদিও তিনি ইতিমধ্যেই সিটিজেন হয়েছেন।

গত ৩১ মার্চ জাফ ল’ অ্যান্ড ইমিগ্রেশনের উদ্যোগে একটি উন্মুক্ত সংবাদ সম্মেলন ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে পূর্বে অভিযোগ করা জাবের নামের এক ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে তার অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেন। ‘একটি ফরম পূরণের জন্য তার কাছ থেকে ৫৬০০ ডলার আত্মসাৎ’ শিরোনাম দিয়ে একটি ফেসবুক পেজে প্রচার করা হয়েছিল। তবে জাফ ল’-এর সংবাদ সম্মেলনের লাইভ চলাকালে জাবের স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে তিনি তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন। তিনি লাইভে স্পষ্টভাবে জানান, তার কাছ থেকে ৫৬০০ ডলার আত্মসাতের খবরটি সর্বৈব মিথ্যা এবং এম এম নুরুজ্জামান বা জাফ ল’ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন তার সঙ্গে কখনো কোনো ধরণের প্রতারণা করেনি। তার বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন করার জন্য তিনি আন্তরিক দুঃখও প্রকাশ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বাফেলোর অন্যতম বৃহৎ সংগঠন এবিসিবি’র সভাপতি হাশেম তালুকদারসহ উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিরা একমত হয়ে জানান, এম এম নুররুজ্জামান তাদের কাছে কখনোই নিজেকে অ্যাটর্নি হিসেবে পরিচয় দেননি। তাদের দাবি, গত চার বছরে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নিয়েও কেউ তাদের কাছে আসেনি। তারা আরও জানান, গত বছর ডিসেম্বর মাসের শেষদিকে জাফ ল’ এন্ড ইমিগ্রেশন-এর বাফেলো অফিসে আয়োজিত একটি মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলনে নুরুজ্জামান নিজেই সবাইকে অবহিত করেছিলেন যে তিনি জাতীয় নির্বাচন এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশে যাচ্ছেন এবং ঈদের পর আবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসবেন। তবে তার এই অনুপস্থিতির সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার এবং তার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার চালিয়েছেন। উপস্থিত ব্যক্তিদের মতে, এসব প্রচারণা পরিকল্পিত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে বাফেলোর বিভিন্ন শ্রেণিপেশার সুপরিচিত ব্যক্তিরা উন্মুক্তভাবে আহ্বান জানান যে, যদি কেউ নুরুজ্জামান বা জাফ ল’ এন্ড ইমিগ্রেশন-এর দ্বারা কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকেন বা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ থাকে, তাহলে তারা যেন সরাসরি প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে এসে বিষয়টি উপস্থাপন করেন অথবা যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, এর আগে কথিত ফেসবুক পেজটি থেকে প্রচার করা হয়েছিল যে, এম এম নুররুজ্জামান অর্থ আত্মসাৎ করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পালিয়ে গেছেন। তবে আমরা সরাসরি তার অফিসে গিয়ে দেখতে পেয়েছি, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে আছেন এবং বাফেলোতে তার অফিস কার্যক্রমও নিয়মিত চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় সাংবাদিক ও সুধীজনরাও তার অফিসে গিয়ে সরাসরি কথা বলেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ভুক্তভোগী অভিযোগ নিয়ে সরাসরি অফিসে উপস্থিত হননি বলে আমরা নিশ্চিত হয়েছি।

এ বিষয়ে বাফেলোর কমিউনিটি নেতা মো. রুবেল আমাদের জানান, এ ধরনের ফার্মে কাজ করা অনেক সময় জটিল। প্রত্যেক ক্লায়েন্ট আশা করেন তাদের ফাইল বা কেস নিশ্চিতভাবে সাফল্য পাবে। কিন্তু কোনো কারণে তা ব্যর্থ হলে কিছু ক্লাযয়েন্ট ক্ষিপ্ত হয়ে অপপ্রচার শুরু করেন।

কুমিল্লা সমিতির সভাপতি মো. হাবিব বলেন, “আমেরিকা আইনের দেশ। এখানে কেউ অন্যায় করলে, সে যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, তাকে আইনের মুখোমুখি হতেই হয়। তাই কারও কোনো অভিযোগ থাকলে, তা সরাসরি স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অথবা কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে নিয়ে সমাধান করে নিতে পারেন।”

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১