হাকিকুল ইসলাম খোকন
২৪ মার্চ ২০২৬
স্বাধীনতা দিবসের সমাবেশে আওয়ামী পরিবারের নেতৃবৃন্দ। ছবি-জাগো প্রহরী।
মহান স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকী অর্থাৎ ৫৬তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করলো যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, আওয়ামী পরিবারসহ সকল সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠন এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী, কবি, সাংবাদিক, কলামিস্ট, গবেষকদের সরব উপস্থিতিতে। গত ২২ মার্চ সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে জুইস সেন্টারে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা, বাকসু’র সাবেক জিএস বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. প্রদীপ রঞ্জন করের সভাপতিত্বে এ সভা যৌথভাবে পরিচালনা করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী ও আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট শাহ মোহাম্মদ বখতিয়ার আলী।
“স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য ও আজকের বাংলাদেশ’’ শীর্ষক এ আলোচনা সভায় অতিথির মাঝে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা ও সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা খান মিরাজ, বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আকবর রিচি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন, বীর মুক্তিযোদ্ধা খুরশিদ আনোয়ার বাবলু, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল খান আনসারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা হেলাল মজিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কবি অবিনাশ আচার্য্য, শহীদ পরিবারের সন্তান ও ইউটিয়োব চ্যানেলের হোস্ট ড. সেলিনা আফরিন রিতা, আওয়ামী লীগ নেতা আকতার হোসেন, শেখ হাসিনা মঞ্চের সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা জালাল উদ্দিন জলিল, শেখ হাসিনা মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ নেতা কায়কোবাদ খান, আওয়ামী লীগ নেতা পলাশ নন্দী, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাখাওয়াৎ বিশ্বাস, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র নেতা ও সাংবাদিক মোজাহিদ আনসারী। স্বাধীনতা দিবসের আলোকে কবিতা আবৃত্তি করেন কবি ও শিক্ষক হাসান আল আব্দুল্লাহ, মিনহাজ আহমেদ শাম্মু, গোপন সাহা এবং আওয়ামী লীগ নেত্রী রীনা আবেদীন ।

নেতৃবৃন্দর মাঝে আরো বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও কলামিস্ট এমএ করিম জাহাঙ্গীর, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমদাদ চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুমানা আক্তার, শেখ হাসিনা মঞ্চের সহ-সভাপতি প্রকৌশলী মিজানুল হাসান এবং দেলওয়ার হোসেন মোল্লা, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সহ-সভাপতি খন্দকার জাহিদুল ইসলাম, সুলতানা পলি, কহিনুর আক্তার, মিসেস গোপন সাহা, ছাত্রলীগ নেতা ফিদা হোসাইন, আমিনুর রহমান শিহাব, সাজ্জাদ হোসেন, শেখ আবিদ হোসেন প্রমুখ।
শুরুতে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। এরপর ১৯৫২-এর ২১ ফেব্রুয়ারি মহান ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৬২, ৬৪’র ৬ দফা, এগারো দফা, শিক্ষা আন্দোলন ও স্বাধিকার আন্দোলন, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ‘৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের সকল শহীদ সদস্য, ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট শেখ হাসিনার উপর গ্রেনেড হামলা , ১৯৭৫-এর ৩ নভেম্বরের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতার নিষ্ঠুুর হত্যাকান্ড এবং আজ পর্যন্ত স্বৈরাচার বিরোধী এবং সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আত্মত্যাগী বীর এবং সম্ভ্রমহারা ২ লক্ষাধিক মা-বোনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
বক্তারা ক্ষোভের সাথে বলেন, একাত্তরের পরাজিত শক্তির উত্থান ঘটেছে ২০২৪ এর জুলাই আন্দোলনের লেবাসে। ওরা আবারো খামচে ধরেছে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত জাতীয় পতাকা। ওরা আবারো হামলে পড়েছে বাংলাদেশ নামক ভূখন্ডটিকে ক্ষত-বিক্ষত করতে। তাই এবারের স্বাধীনতা দিবসে সকলের অঙ্গিকার হচ্ছে একাত্তরের চেতনায় দেশ ও প্রবাসে সকলের ঐক্য। সেই ঐক্যের জয়গানেই সুসংহত রাখতে হবে মুজিবের বাংলাকে এবং একাত্তরের ঘাতকদের আবারো সমুচিত শিক্ষা দিতে হবে।