আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৮ এপ্রিল ২০২৬
King Charles at white house
যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লস এবং রানি ক্যামিলা চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন। সেখানে তাদেরকে হোয়াইট হাউজে সাদর অভ্যর্থনা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প।
সোমবার ওয়াশিংটনের অ্যান্ড্রু সামরিক ঘাঁটিতে অবতরণের পর সফরের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার রাজা ও রানি হোয়াইট হাউজে পা রাখেন।
ছবিতে চার্লস এবং ট্রাম্পকে হাসিমুখে হাত মেলাতে দেখা গেছে। পরে চার্লস, ক্যামিলা, ট্রাম্প এবং মেলানিয়া চারজনই একসঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার জন্য পোজ দেন।
হোয়াইট হাউজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের রাজা চার্লসের বৈঠক করার কথা রয়েছে। এরপর চার্লস কংগ্রেসে ভাষণ দেবেন।
এই ভাষণে চার্লস ইরান যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার টানাপোড়েনের সম্পর্ককে আবার সম্প্রীতির পথে নিয়ে আসা এবং নতুন করে শুরুর ডাক দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলার যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন। ওয়াশিংটন ডিসি-তে দুইদিনের সফরের পর তারা নিউ ইয়র্ক, ভার্জিনিয়া এবং বারমুডাতেও ভ্রমণ করবেন।
২০০৭ সালের পর কোনও ব্রিটিশ রাজার এটিই প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফর। সফরের লক্ষ্য দুই ঐতিহাসিক মিত্র দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করা।
দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে চার্লস ও ক্যামিলার এই সফর গুরুত্বপূর্ণ।
ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্কে টানাপড়েন চলছে। ট্রাম্প বারবার স্টারমারের সমালোচনা করে আসছেন।
তবে রাজা চার্লসের সফরকে তিনি এ সম্পর্ক মেরামতের এক ইতিবাচক সুযোগ হিসেবেই দেখছেন।
চার্লসের সফরের মাধ্যমে দুই দেশের তিক্ততা দূর হবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প গত বৃহস্পতিবার বিবিসি-র সঙ্গে এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “অবশ্যই। তিনি (রাজা) একজন চমৎকার মানুষ। উত্তরটি অবশ্যই হ্যাঁ।”
“আমি তাকে ভালভাবে চিনি। অনেক বছর ধরে চিনি। তিনি একজন সাহসী ও মহান মানুষ। তাদের আগমন নিশ্চিতভাবেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।”