বাংলার মাটিতেই হবে আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির বিচার : ছাত্রদল সম্পাদক

ঢাকা সংবাদদাতা

১৯ জানুয়ারি ২০২৬

বাংলার মাটিতেই হবে আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির বিচার : ছাত্রদল সম্পাদক

Asif Mahmud and Nasir Uddin (Right)

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়ার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির।

তিনি বলেছেন, আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সামনে রেখে এরইমধ্যে দুটি রাজনৈতিক দল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। জুলাই-আগস্টে নেতৃত্ব দেওয়া একজন ছাত্র প্রতিনিধি আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া পরে উপদেষ্টা হয়ে হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি করেছেন। তার কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি বাংলাদেশে ওপেন সিক্রেট। এই দুর্নীতির বিচার অবশ্যই এ দেশের মাটিতেই হতে হবে।

১৯ জানুয়ারি দুপুরে ইসির সামনে ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচিতে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। নাছির উদ্দিন বলেন, আমরা দেখছি, তিনি এখন নির্বাচন কমিশনে এসে চোখ রাঙানি দিচ্ছেন। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই— নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। কারো চোখ রাঙানিতে কমিশনের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। জুলাই-আগস্টের পর আপনার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো আছে, সেগুলো বাংলাদেশের মানুষ জানে। সুতরাং আপনার হুমকি-ধমকিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মী ভয় পায় না। আমাদের নেতাকর্মীরা মাঠে আছে এবং থাকবে।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনকে আমরা বলেছি— ৫ আগস্টের পর কেউ কেউ কমিশনের সামনে ভয়ভীতি তৈরি করার চেষ্টা করছে। আপনারা সোজা হয়ে দাঁড়ান। সংবিধান, আইন ও দেশের মানুষ আপনাদের যে ক্ষমতা দিয়েছে, তা নিয়ে আপনারা দৃঢ়ভাবে দায়িত্ব পালন করুন।

শাকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক বলেন, এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে যত উপাচার্য দায়িত্ব পালন করছেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো এত মিথ্যাবাদী শিক্ষক কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই। তিনি যত কথা বলেন, তত কথায় মিথ্যা বলেন। কারণ জানুয়ারি মাসের ৫ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তাকে একটি চিঠি ইস্যু করা হয়। ওই চিঠিতে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছাত্র সংসদ নির্বাচন স্থগিত রাখতে বলা হয়। কিন্তু তিনি এই চিঠি প্রকাশ করেননি। কোনো ছাত্র সংগঠনকেই তিনি চিঠির বিষয়ে জানাননি। পরে যখন প্রকাশ পেল, তিনি ঢাকায় এসে তার প্রিয় সংগঠন ছাত্রশিবিরকে জেতাতে তদবির করে আবার নির্বাচনের তারিখ ২০ জানুয়ারি ঠিক করলেন।

নাছির উদ্দিন নাছির বলেন, নির্বাচনের আগে ছয়দিন প্রচার বন্ধ ছিল। একটি নির্বাচনের আগে যদি এতদিন প্রচারণা বন্ধ থাকে, তাহলে কীভাবে সেই নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়। এমতাবস্থায় আমি মনে করি শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের মতো এত মিথ্যাবাদী, ভণ্ড, প্রতারক আর নেই। তিনি এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে অনতিবিলম্বে তিনি এই পদ ছেড়ে দেবেন।

 

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Default Advertisement

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০৩১