নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ জানুয়ারি ২০২৬
Green Touch Logo
আমেরিকায় অনেক অভিবাসী বাঙালি রয়েছেন। বাংলা ভাষায় প্রকাশিত ও সম্পাদিত বহুসংখ্যক গ্রন্থ আছে । যা সংরক্ষণে এদেশে যথেষ্ট বই বিপনীকেন্দ্র বা গ্রন্থাগার নেই । আমেরিকায় যেসব লাইব্রেরি আছে তা স্থানীয়, স্টেট অথবা ফেডারেকল সরকারের নীতিভুক্ত । অবাধে বই-পত্র সংরক্ষণের সুযোগ নেই । এ অবস্থায় প্রথম প্রজন্মের বাঙালি/বাংলাদেশিরা সরব থাকাবস্থায়ই লাইব্রেরিগুলোর সাথে যোগ-সূত্র স্থাপনের প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে হবে। সে তাগিদেই আগামী প্রজন্মের কাছে দৃশ্যমান হয় এমনভাবে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি লালন ও বিকাশে পরিপূরক পত্র-পত্রিকা, গ্রন্থাদি সংরক্ষণের একটি প্রয়াস নিয়েছে সেবামূলকপ্রতিষ্ঠান জ্যাকসন হাইটস নিউইয়র্কভিত্তিক ‘গ্রীনটাচ’ । এর পৃষ্টপোষকতায় “আমেরিকায় বাংলা গ্রন্থাগার “ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির পরিচালক ভিক্টর লিয়াকত এলাহী। তাকে এ প্রয়াসে সহযোগিতা দিচ্ছেন কবি ও গবেষক সৈয়দ হাসমত আলী।
এ প্রসঙ্গে ভিক্টর লিয়াকত এলাহী আরো জানন, এখানে বাঙালি লেখকদের প্রকাশিত গ্রন্থ ও সম্পাদিত সংকলন- স্মরণিকাসমূহের এক কপি করে সংরক্ষিত থাকবে । যা বিক্রয় বা হস্তান্তর যোগ্য নয়, শুধু গ্রন্থাগারে বসে পড়া বা দেখার জন্য। গ্রন্থাগারে ( জন্ম-তারিখ অনুসারে ) লেখক ও সম্পাদকদের তালিকা থাকবে । জমাকৃত গ্রন্থের লেখক- সম্পাদগণ গ্রন্থাগারের সদস্য হিসাবে গণ্য হয়ে গ্রন্থাগার পরিচালনা করবেন। এই মহতী উদ্যোগে অংশ নিতে ইচ্ছুকদেরকে ৩৪৭ ৬৮৪ ৪৯২৪ অথবা ৯২৯ ৭৩৩ ৮৬৫১ নম্বরে যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, সেবামূলক সংস্থা ‘গ্রীণটাচ’ বেশ ক’বছর আগে থেকে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এলাকার গরিবের চেয়েও গরিব পরিবারের শিশুদের ভাগ্য-উন্নয়নের ব্রত নিয়ে কাজ করছে। এ কাজে প্রবাসের লোকজনও সহযোগিতা দিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই তারা জ্যাকসন হাইটসের রাস্তা-ঘাটকে পরিচ্ছন্ন রাখার প্রতীকী প্রকল্পের বাস্তবায়ন ঘটিয়েছেন।