আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৫ মার্চ ২০২৬
Homeland-Security Secretary Christi Noem
ইরান যুদ্ধের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী ক্রিস্টি নোম পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার এ খবর দিয়ে বলেছেন, চলতি মার্চ মাসের শেষে দায়িত্ব ছেড়ে দিচ্ছেন ক্রিস্টি নোম।
মাত্র এক বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করার পর এই পদ ছেড়ে যাচ্ছেন তিনি। তার জায়গায় সেনেটর মার্কওয়েন মুলিনকে হোমল্যান্ড সিকিউরিটির দায়িত্ব দিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
তিনি ট্রুথ সোশালে লিখেছেন, “আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে, ওকলাহোমার সম্মানিত সেনেটর মার্কওয়েন মুলিন ৩১ মার্চ ২০২৬ থেকে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী হবেন।”
আর ট্রাম্পের বিচারে আগের দায়িত্বে ‘ভালো কাজ করা’ নোমকে দেওয়া হচ্ছে নতুন দায়িত্ব।
‘এনভয় ফর দ্য শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’ নামে নতুন এক পদ তার জন্য সৃষ্টি করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। পশ্চিম গোলার্ধে নতুন নিরাপত্তা উদ্যোগের নেতৃত্ব দেওয়া হবে তার কাজ।
নোয়েম তার দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন সময় ট্রাম্পের সুনজরে যেমন এসেছেন, তেমনি তোপেও পড়েছেন।
চলতি সপ্তাহে একটি প্রচারভিযানের অর্থায়নের বিষয়ে আইনপ্রণেতাদের সামনে দেওয়া তার বক্তব্য প্রেসিডেন্টকে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ করে।
গত মঙ্গলবার ও বুধবারের সংসদীয় শুনানিতে আইনপ্রণেতারা নোয়েমের কাছে অভিবাসনবিরোধী প্রচারাভিযানের জন্য বানানো বিজ্ঞাপনের অর্থায়নের বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন।
নোয়েমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাসরত যে কাউকে স্বেচ্ছায় দেশত্যাগের আহ্বান জানানো হয়েছিল।
২০২৫ সালের শুরু থেকে এই বিজ্ঞাপন প্রচার করতে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ প্রায় ৮ কোটি ডলার ব্যয় করে।
নোয়েম সেনেট প্যানেলকে বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট নিজেই এই প্রচারাভিযান অনুমোদন করেছেন। তবে হোয়াইট হাউস তা অস্বীকার করে বসে।
বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজের এক কর্মকর্তা এনবিসি নিউজকে বলেন, “প্রেসিডেন্ট ২২ কোটি ডলারের প্রচারাভিযানে সই করেননি।”
ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর নোয়েম প্রথম ব্যক্তি, যিনি মন্ত্রিসভা থেকে সরে গেলেন।
মন্ত্রিত্ব পাওয়ার আগে তিনি সাউথ ডাকোটার গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।