নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যুর কার্যক্রম ২১ জানুয়ারি থেকে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এসব দেশের লোকজন যুক্তরাষ্ট্রে এসে সরকারি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বেন, তাই তাদেরকে ইমিগ্র্যান্ট ভিসা না প্রদানের সিদ্ধান্ত দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। এ ধরনের একটি নির্দেশনা স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে সংশ্লিষ্ট দেশসমূহে প্রেরণ করা হয়েছে বলে ১৪ জানুয়ারি জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারি নথির উদ্ধুতি দিয়ে একটি বিবরণী প্রকাশ করেন। সেখানে কোন দেশের ইমিগ্র্যান্টরা কি পরিমাণের সরকারি সাহায্য (ফুডস্ট্যাম্প, চিকিৎসা-সেবা, হোমকেয়ার, আবাসন ইত্যাদি) নিচ্ছেন তা উল্লেখ ছিল। সে তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৯ নম্বরে অর্থাৎ ইমিগ্র্যান্ট হিসেবে বসবাসরতদের ৫৪.৮ শতাংশ ফেডারেল সুযোগ-সুবিধা নিচ্ছেন। এ তালিকায় আরো রয়েছে সোমালিয়া, আফগানিস্তান, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, থাইল্যান্ড, ইরাক, ইরাক, পাকিস্তান, নেপাল, ভ‚টান, বাহামা, বেলারুজ, বসনিয়া, বার্মা, কম্বোডিয়া, ক্যামেরুন, কিউবা, কঙ্গো, মিশর, ইথিয়োপিয়া, ফিজি, জর্জিয়া, ঘানা, গুয়াতেমালা, হাইতি, জ্যামাইকা, জর্দান, কুয়েত, কসবো, লেবানন, লাইবেরিয়া, মরক্কো, রাশিয়া, সেনেগাল, সাউথ সুদান, ইয়েমেন, ইজবেকিস্তান, সিরিয়া, তাঞ্জানিয়া, থাইল্যান্ড, তিউনিসিয়া, চীন, উগান্ডা, উরুগুয়ে, উজবেকিস্তান, আরমেনিয়া প্রভৃতি।
এর ফলে এসব দেশের ইমিগ্র্যান্ট ভিসার জন্যে ১৮/১৯ বছরের অধিক সময় ধরে অপেক্ষমানরা (ইউএস সিটিজেনদের স্বজন) আরেক দফা অনিশ্চয়তায় পড়লেন বলে মনে করা হচ্ছে। এখন ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যুর আওতায় তারাই আসবেন যারা কন্স্যুলেটকে নিশ্চিত করতে সক্ষম হবেন যে, আর্থিকভাবে তারা স্বচ্ছল, তাদের স্পন্সরকারিরাও স্বচ্ছল, তারা যুক্তরাষ্ট্রে এসেই কাজকর্ম করতে সক্ষম হবেন এমন যোগ্যতা রয়েছে। কয়েকদিন আগেই আরেক নির্দেশে বলা হয়েছে যে, ট্যুরিস্ট/ব্যবসায়ী/উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের জন্যে স্টুডেন্ট/নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা তারাই পাবেন যারা ১৫ হাজার ডলার জামানত রাখতে পারবেন। এই অর্থ ফেরৎ দেয়া হবে ভিসার মেয়াদ থাকতেই নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার পর। যারা নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসার নিয়ম লংঘন করবেন তাদের এই অর্থ বাজেয়াপ্ত হয়ে যাবে।