অজিৎ ভৌমিক
১৩ মার্চ ২০২৬
আন্তঃধর্মীয় ইফতার মাহফিলের মঞ্চে গিয়াস আহমেদ, মোহাম্মদ কাদের ভূইয়া সিআইপিসহ বিশিষ্টজনেরা। ছবি-জাগো প্রহরী।
বিভিন্ন ধর্ম, গোত্র এবং বর্ণের মানুষের সরব উপস্থিতিতে গত ১১ মার্চ সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে ‘অ্যল কাউন্টি হোমকেয়ার’র উদ্যোগে ‘আন্তঃধর্মীয় ইফতার মাহফিল’ অনুষ্ঠিত হয়। জ্যাকসন হাইটসে নবান্ন পার্টি হলে বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মানুষের এ আয়োজনে স্বাগত বক্তব্য দেন হোস্ট সংগঠনের প্রেসিডেন্ট ও সিইও মোহাম্মদ কাদের ভূইয়া সিআইপি। সংস্থাটির অন্যতম কর্মকর্তা মিয়া মোহাম্মদ দুলালের সঞ্চালনায় সমাবেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বহুজাতিক এ সমাজে ধর্মীয় সম্প্রীতির বন্ধন জাগ্রত রেখে নিজ নিজ ভবিষ্যতকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে এ ধরনের আয়োজনের গুরুত্ব অপরিসীম বলে মন্তব্য করা হয়।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলাজনিত পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ অবসানে সংশ্লিষ্ট সকলের মধ্যে অচিরেই শুভবুদ্ধির উদয় হবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। ‘আন্তঃধর্মীয় ইফতার মাহফিল’ আলোকে অন্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন কমিউনিটি লিডার গিয়াস আহমেদ, ইমাম কাজী কায়্যুম, রাব্বি সৈয়দ, ডা. মাসুদুল হাসান, তারেক হাসান খান, কাজী আজম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান, নিউইয়র্ক স্টেট এ্যাসেম্বলীতে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে অবতীর্ণ মো. শামসুল হক, জেমস ব্রুস, শাহ শহীদুল হক সাঈদ প্রমুখ।
ইফতারের প্রাক্কালে বিশেষ দোয়া-মোনাজাতে নেতৃত্ব দেন মাওলানা সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, অ্যলকাউন্টি হোমকেয়ার গ্রুপে নবান্ন রেস্টুরেন্ট ও পার্টি হলের তিনটি শাখা ছাড়াও রয়েছে অ্যলকাউন্টি হেলথকেয়ার, অ্যলকাউন্টি মেডিকেল ট্রেনিং স্কুল, অ্যলকাউন্টি সোস্যাল এডাল্ট ডে কেয়ার এবং বেঙ্গল ফেডারেল ক্রেডিট ইউনিয়ন। আন্তঃধর্মীয় ইফতার মাহফিলে বিশেষভাবে আমন্ত্রিত ছিলেন নিউইয়র্কে কর্মরত গণমাধ্যম কর্মী এবং জেষ্ঠ সিটিজেনরা। বিশেষভাবে আমন্ত্রিতদের মধ্যে আরো ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। এতে আগত নারীদেরকে স্বাগত জানান ‘অ্যলকাউন্টি হেলথ কেয়ার’র পরিচালক শিফা ভূইয়া।
নিউইয়র্ক সিটিতে প্রতিদিনই বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে দুই ডজনেরও অধিক ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হলেও ‘আন্তঃধর্মীয় ইফতার মাহফিল’র এটাই ছিল প্রথম আয়োজন। এজন্য এই অনুষ্ঠান ঘিরে কমিউনিটির কৌতূহলের শেষ ছিল না। সকলেই আয়োজক মোহাম্মদ কাদের ভূইয়ার প্রশংসা করেছেন। এবং সংস্থাগুলো যাতে ন্যায়-নিষ্ঠভাবে পরিচালিত হয়ে ধর্মপ্রাণ মানুষের আমেরিকান স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করে যেতে পারে-সে প্রত্যাশা ছিল সবার।